GhorBDআপনার পছন্দের ঘর
ভাড়া খুঁজুনমানচিত্রজমিপ্রাইসিংব্লগগাইডআমাদের সম্পর্কেযোগাযোগ
লগইনবাসা ভাড়া দিন

ভাড়া বা বিক্রির জন্য বাসা আছে?

বিনামূল্যে বিজ্ঞাপন দিন — হাজারো মানুষ এখনই বাসা খুঁজছেন।

ফ্রি বিজ্ঞাপন দিনবাসা খুঁজুন
GhorBD

আপনার পছন্দের ঘর খুঁজুন সহজেই

  • ঢাকা, বাংলাদেশ
  • +880 1700-000000
  • support@ghorbd.com

ভাড়াটিয়া

  • সব বিজ্ঞাপন
  • মানচিত্র
  • জমি
  • উত্তরা
  • মিরপুর
  • ধানমন্ডি

বাড়িওয়ালা

  • রেজিস্ট্রেশন
  • ড্যাশবোর্ড
  • প্রাইসিং

সহায়তা

  • আমাদের সম্পর্কে
  • ব্লগ
  • গাইড
  • হেল্প সেন্টার
  • যোগাযোগ

ঘরবিডির তথ্য সেবায় আপনাকে স্বাগতম

  • ভূমির হিসাব (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • জমির হিস্যা (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • উত্তরাধিকার (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • বয়স হিসাব (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • ভূমির সকল তথ্য (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • খতিয়ান (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • ভিডিও সেবা (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • চ্যাট সাপোর্ট (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • দলিলের ফিস (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • সম্পদ ক্রয়-বিক্রয়
  • ভূমি সংক্রান্ত ফরম (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • স্যাটেলাইট ম্যাপ (নতুন ট্যাবে খুলবে)

© 2026 GhorBD. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

প্রাইভেসি পলিসিশর্তাবলীউপরে যান
  • হোম
  • খুঁজুন
  • বিজ্ঞাপন দিন
  • সেভ
  • লগইন
হোম/ব্লগ
জমি বা ভূমি

জমি বণ্টনের মামলা করতে হয় কিভাবে?

জমি বা সম্পত্তি বণ্টন কি? জমি বন্টন: ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির সীমানা চিহ্নিত করে যার যার প্রাপ্ত স্বত্ব বুঝে নেবার প্রক্রিয়াটি হচ্ছে “বণ্টন”। স্থানীয় বা পারিবারিকভাবে বণ্টনের আইনগত ভিত্তি দুর্বল। উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টন করার জন্য আইনানুগ পদ্ধতি অবলম্বন করাটাই শ্রেয়। এ জন্য সকল শরিককে এখতিয়ার সম্পন্ন দেওয়ানী আদালতে একটি মামলা করতে হয় যা […]

৯ মার্চ, ২০২৫৩ মিনিট পড়া
জমি বণ্টনের মামলা করতে হয় কিভাবে?

[জমি বা সম্পত্তি](http://ghorbd.com)বণ্টন কি?

জমি বন্টন:

ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির সীমানা চিহ্নিত করে যার যার প্রাপ্ত স্বত্ব বুঝে নেবার প্রক্রিয়াটি হচ্ছে “বণ্টন”। স্থানীয় বা পারিবারিকভাবে বণ্টনের আইনগত ভিত্তি দুর্বল। উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টন করার জন্য আইনানুগ পদ্ধতি অবলম্বন করাটাই শ্রেয়। এ জন্য সকল শরিককে এখতিয়ার সম্পন্ন দেওয়ানী আদালতে একটি মামলা করতে হয় যা বণ্টন মোকদ্দমা বা বাটোয়ারা মামলা বা পার্টিশন স্যুট নামে পরিচিত।

সম্পত্তির শরিক দুই প্রকার। (ক) উত্তরাধিকার সূত্রে শরিক বা কো-শেয়ারার বাই ইনহেরিটেন্স (খ) খরিদ সূত্রে শরিক বা কো-শেয়ারার বাই পারচেজ।

বণ্টনের মামলা করার সময় সকল শরিকগণ মামলায় পক্ষভুক্ত হতে হবে। কোন একজন শরিক বাদ থাকলে বণ্টননামা শুদ্ধ হবেনা। যদি শরিকগণ আপোষ মতে বণ্টন করতে রাজী না হন তাহলে যে কোন শরিক বণ্টনের জন্য আদালতে উক্ত সম্পত্তির বণ্টন চেয়ে মামলা করতে পারেন।

বণ্টন মামলা করার জন্য কি কি প্রয়োজন?

বণ্টন মোকদ্দমা দায়েরের জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করে নিতে হবে। পাশাপাশি সম্পত্তির মালিকানা সংশ্লিষ্ট সকল কাগজ পত্র যেমন ভূমি জরিপ খতিয়ান, নামজারী খতিয়ান, মালিকানা দলিল, উত্তরাধিকার সনদ ইত্যাদি সংগ্রহে রাখতে হবে।

মামলা করার জন্য কোর্ট ফি দিতে হয় ১০০ টাকা কিন্তু ছাহাম চাইলে প্রতি ছাহামের জন্য অতিরিক্ত ১০০ ফি জমা দিতে হয়।

বাটোয়ারা মামলায় সাধারণত প্রত্যেক দাগের জমি সকল সহ-শরীক এর মধ্যে বণ্টিত হয়ে থাকে ৷ বাটোয়ারা বা বণ্টন মামলায় ২ বার ২টি ডিক্রী হয় ৷

প্রাথমিক ডিক্রী: এ ডিক্রীতে হিস্যানুযায়ী বণ্টন আদেশ দেয়া হয় ৷

চূড়ান্ত ডিক্রী: এ ডিক্রীতে প্রয়োজনে আমিন কমিশন পাঠিয়ে সরেজমিনে সম্পত্তির দখল দেয়া হয় এবং সীমানা পীলার দ্বারা বিভাজন (জমির ভাগ) চিহ্নিত করার মাধ্যমে চূড়ান্ত ডিক্রী প্রচার করা হয় ৷ আদালত প্রয়োজনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করে সম্পত্তির সীমানা চিহ্নিত করে ডিক্রী প্রাপককে সম্পত্তির দখল দেয়ার ব্যবস্থা করে থাকেন ৷

বণ্টনের শর্ত সমূহ:

বণ্টনের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত জড়িত; যেমন- -পরিমাপ করে শরীকদের ভূমির বা জমির সীমানা চিহ্নিতকরণ করতে হবে। এবং -বণ্টন তালিকায় প্রত্যেক সহ-মালিকের বরাদ্দকৃত সম্পত্তির উল্লেখ থাকতে হবে; -তালিকায় মালিকানার বিভাজন সকল সহ-মালিক কর্তৃক স্বীকৃত হতে হবে; -বণ্টনের বিবরণ সুস্পষ্ট হতে হবে; -প্রত্যেকটি তালিকা সহ-মালিকবৃন্দ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে; -যথাযথভাবে স্ট্যাম্প শুল্ক দিয়ে দলিলটি রেজিস্ট্রি করতে হবে; -সহ-শরীকগণ আপোষ বণ্টন করে পরবর্তীতে তাদের কেউ তা না মানলে দেওয়ানী আদালতের মাধ্যমে তা কার্যকর করা যায় ৷

বণ্টন এবং বণ্টক দলিল কি?

১৮৯৯ সালের স্ট্যাম্প এক্টের ২ (১৫) ধারায় বলা হয়েছে বণ্টন দলিল ও বণ্টক দলিল অর্থ একই ৷ যখন কোন সম্পত্তির সহ-শরিকগণ তাদের সম্পত্তি ব্যক্তিগত মালিকানায় পৃথকভাবে ভাগ করে নেয় বা নিতে সম্মত হয়ে কোন দলিল করে তাকেই বণ্টন বা বণ্টক দলিল বলে।

বণ্টননামা দলিলের রেজিস্ট্রি ফি:

রেজিস্ট্রেশন (সংশোধন) আইন ২০০৪ আইনের ১৭(১) ধারার বিধান অনুসারে বাটোয়ারা বা আপোষ-বণ্টননামা রেজিস্ট্রি করতে হবে, অর্থাৎ রেজিস্ট্রি বাধ্যতামূলক। সকল সহ-শরিকের মধ্যে জমি হিস্যানুযায়ী (স্ট্যাম্প এর উপর) বণ্টন করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দাখিল করে বণ্টননামা দলিল রেজিস্ট্রি করা যায় ৷ এ দলিল রেজিস্ট্রির জন্য স্ট্যাম্প খরচ লাগবে জমির যে মূল্য লেখা হবে তার ২% হারে ৷ এছাড়া অন্যান্য ফিস কবলা দলিল রেজিস্ট্রিতে যেমন লাগে অনুরূপ লাগবে ৷ (তবে এই হার সরকার কর্তৃক সময় সময় পরিবর্তনযোগ্য)

বণ্টন হওয়ার পর করণীয় কি?

আদালতের মাধ্যমে বণ্টন হওয়ার পর এবং বণ্টন দলিল রেজিস্ট্রি পর অবশ্যই নিজ নামে নামজারী, জমাভাগ খতিয়ান করে নিতে হবে। পাশাপাশি খাজনা প্রদান করতে হবে। মনে রাখবেন, নামজারী হচ্ছে সরকারিভাবে সম্পত্তিকে নিজ নামে রেকর্ড করা।

জমি বা ভূমিজমি সংক্রান্ত আইনজমি সংক্রান্ত নিউজ
আগের লেখামুসলিম উত্তরাধিকার আইনে কে কতটুকু সম্পত্তি পায়পরের লেখাদেওয়ানি মামলা করবেন যে কারণে

মন্তব্য

এই লেখায় যা আছে

  • বণ্টনের শর্ত সমূহ:
  • বণ্টন এবং বণ্টক দলিল কি?
  • বণ্টননামা দলিলের রেজিস্ট্রি ফি:
  • বণ্টন হওয়ার পর করণীয় কি?

সম্পর্কিত লেখা

  • ভূমি সংক্রান্ত সেবা: অনলাইনে নামজারি, খতিয়ান ও খাজনা গাইড

    ভূমি সংক্রান্ত সেবা: অনলাইনে নামজারি, খতিয়ান ও খাজনা গাইড

    ১৩ জানু, ২০২৬
  • বাংলাদেশে জমি ট্যাক্স : ভূমি উন্নয়ন কর, হিসাব ও অনলাইন পেমেন্ট গাইড

    বাংলাদেশে জমি ট্যাক্স : ভূমি উন্নয়ন কর, হিসাব ও অনলাইন পেমেন্ট গাইড

    ১১ নভে, ২০২৫
  • জমি বিনিয়োগ গাইড : বাংলাদেশের নিরাপদ ও লাভজনক বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত

    জমি বিনিয়োগ গাইড : বাংলাদেশের নিরাপদ ও লাভজনক বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত

    ১১ নভে, ২০২৫