GhorBDআপনার পছন্দের ঘর
ভাড়া খুঁজুনমানচিত্রজমিপ্রাইসিংব্লগগাইডআমাদের সম্পর্কেযোগাযোগ
লগইনবাসা ভাড়া দিন

ভাড়া বা বিক্রির জন্য বাসা আছে?

বিনামূল্যে বিজ্ঞাপন দিন — হাজারো মানুষ এখনই বাসা খুঁজছেন।

ফ্রি বিজ্ঞাপন দিনবাসা খুঁজুন
GhorBD

আপনার পছন্দের ঘর খুঁজুন সহজেই

  • ঢাকা, বাংলাদেশ
  • +880 1700-000000
  • support@ghorbd.com

ভাড়াটিয়া

  • সব বিজ্ঞাপন
  • মানচিত্র
  • জমি
  • উত্তরা
  • মিরপুর
  • ধানমন্ডি

বাড়িওয়ালা

  • রেজিস্ট্রেশন
  • ড্যাশবোর্ড
  • প্রাইসিং

সহায়তা

  • আমাদের সম্পর্কে
  • ব্লগ
  • গাইড
  • হেল্প সেন্টার
  • যোগাযোগ

ঘরবিডির তথ্য সেবায় আপনাকে স্বাগতম

  • ভূমির হিসাব (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • জমির হিস্যা (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • উত্তরাধিকার (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • বয়স হিসাব (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • ভূমির সকল তথ্য (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • খতিয়ান (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • ভিডিও সেবা (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • চ্যাট সাপোর্ট (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • দলিলের ফিস (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • সম্পদ ক্রয়-বিক্রয়
  • ভূমি সংক্রান্ত ফরম (নতুন ট্যাবে খুলবে)
  • স্যাটেলাইট ম্যাপ (নতুন ট্যাবে খুলবে)

© 2026 GhorBD. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

প্রাইভেসি পলিসিশর্তাবলীউপরে যান
  • হোম
  • খুঁজুন
  • বিজ্ঞাপন দিন
  • সেভ
  • লগইন
হোম/ব্লগ
উত্তরাধিকার

বন্টননামা দলিলের সকল ধরণের রেজিস্ট্রশন ফিস

বন্টননামা দলিলের রেজিস্ট্রশন ফিস ১। রেজিস্ট্রেশন ফিসঃ বন্টনকৃত সম্পত্তির দলিলে লিখিত মোট মূল্য – (ক) অনূর্ধ্ব ৩ লক্ষ টাকা হলে ৫০০ টাকা। (খ) অনূর্ধ্ব ১০ লক্ষ টাকা হলে ৭০০ টাকা। (গ) অনূর্ধ্ব ৩০ লক্ষ টাকা হলে ১২০০ টাকা। (ঘ) অনূর্ধ্ব ৫০ লক্ষ টাকা হলে ১৮০০ টাকা। (ঙ) ৫০ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হলে […]

৯ মার্চ, ২০২৫৫ মিনিট পড়া
বন্টননামা দলিলের সকল ধরণের রেজিস্ট্রশন ফিস

বন্টননামা দলিলের রেজিস্ট্রশন ফিস

১। রেজিস্ট্রেশন ফিসঃবন্টনকৃত সম্পত্তির দলিলে লিখিত মোট মূল্য –

(ক) অনূর্ধ্ব ৩ লক্ষ টাকা হলে ৫০০ টাকা।

(খ) অনূর্ধ্ব ১০ লক্ষ টাকা হলে ৭০০ টাকা।

(গ) অনূর্ধ্ব ৩০ লক্ষ টাকা হলে ১২০০ টাকা।

(ঘ) অনূর্ধ্ব ৫০ লক্ষ টাকা হলে ১৮০০ টাকা।

(ঙ) ৫০ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হলে ২০০০ টাকা।

বন্টননামা দলিলে যে কয়টি পক্ষ হবে তার মধ্যে আর্থিক হিসাবে বৃহত্তম এক পক্ষের অংশের মূল্য বাদ দিয়ে মোট মূল্য হিসাব করতে হবে।

২। স্ট্যাম্প [শুল্কঃ](http://ghorbd.com) ৫০ টাকা।

৩। ই ফিঃ১০০ টাকা।

৪) এন ফিঃ

(i) বাংলায় প্রতি ৩০০ শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ১৬ টাকা।

(ii) ইংরেজি ভাষায় প্রতি ৩০০ শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ২৪ টাকা।

৫) এনএন ফি (নকলনবিশগনের পারিশ্রমিক)

(i) বাংলায় প্রতি ৩০০ শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ২৪ টাকা।

(ii) ইংরেজি ভাষায় প্রতি ৩০০ শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ৩৬ টাকা।

৬)২০০ টাকার স্ট্যাম্পে হলফনামা প্রিন্ট করে দলিলের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

ফিস পরিশোধ পদ্ধতিঃ

দলিল রেজিস্ট্রেশনের জন্য যাবতীয় ফিসাদি স্থানীয় সোনালী ব্যাংক এর ট্রেজারি শাখায় জমা প্রদান করতে হবে।

১। রেজিস্ট্রেশন ফি + ই ফি + এন ফি একসাথে একটি পে-অর্ডারের মাধ্যমে কোড নং ১-২১৬১-০০০০-১৮২৬ তে জমা প্রদান করতে হবে।

২) এনএন ফি নগদে অফিসে জমা প্রদান করতে হবে।

বিঃ দ্রঃ

১। ওয়ারিশী স্থাবর সম্পত্তি ব্যতিত অন্যভাবে অর্জিত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বন্টননামা দলিলের ক্ষেত্রে উৎস কর প্রযোজ্য।

২। রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩ বি, ধারা মোতাবেক কোন রেকর্ডীয় মালিক মৃত্যুবরণ করলে তাঁর জীবিত ওয়ারিশগণ নিজেদের মধ্যে একটি বন্টননামা দলিল সম্পাদন করে রেজিস্ট্রি করবেন।

জমি বা সম্পত্তি বণ্টন কি?

https://youtube.com/watch?v=DFqOHP2jN48%3Ffeature%3Doembed

ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির সীমানা চিহ্নিত করে যার যার প্রাপ্ত স্বত্ব বুঝে নেবার প্রক্রিয়াটি হচ্ছে “বণ্টন”। স্থানীয় বা পারিবারিকভাবে বণ্টনের আইনগত ভিত্তি দুর্বল। উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টন করার জন্য আইনানুগ পদ্ধতি অবলম্বন করাটাই শ্রেয়। এ জন্য সকল শরিককে এখতিয়ার সম্পন্ন দেওয়ানী আদালতে একটি মামলা করতে হয় যা বণ্টন মোকদ্দমা বা বাটোয়ারা মামলা বা পার্টিশন স্যুট নামে পরিচিত।

সম্পত্তির শরিক দুই প্রকার। (ক) উত্তরাধিকার সূত্রে শরিক বা কো-শেয়ারার বাই ইনহেরিটেন্স (খ) খরিদ সূত্রে শরিক বা কো-শেয়ারার বাই পারচেজ।

বণ্টনের মামলা করার সময় সকল শরিকগণ মামলায় পক্ষভুক্ত হতে হবে। কোন একজন শরিক বাদ থাকলে বণ্টননামা শুদ্ধ হবেনা। যদি শরিকগণ আপোষ মতে বণ্টন করতে রাজী না হন তাহলে যে কোন শরিক বণ্টনের জন্য আদালতে উক্ত সম্পত্তির বণ্টন চেয়ে মামলা করতে পারেন।

বণ্টন মামলা করার জন্য কি কি প্রয়োজন?

বণ্টন মোকদ্দমা দায়েরের জন্য একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করে নিতে হবে। পাশাপাশি সম্পত্তির মালিকানা সংশ্লিষ্ট সকল কাগজ পত্র যেমন ভূমি জরিপ খতিয়ান, নামজারী খতিয়ান, মালিকানা দলিল, উত্তরাধিকার সনদ ইত্যাদি সংগ্রহে রাখতে হবে।

মামলা করার জন্য কোর্ট ফি দিতে হয় ১০০ টাকা কিন্তু ছাহাম চাইলে প্রতি ছাহামের জন্য অতিরিক্ত ১০০ ফি জমা দিতে হয়।

বাটোয়ারা মামলায় সাধারণত প্রত্যেক দাগের জমি সকল সহ-শরীক এর মধ্যে বণ্টিত হয়ে থাকে ৷ বাটোয়ারা বা বণ্টন মামলায় ২ বার ২টি ডিক্রী হয় ৷

প্রাথমিক ডিক্রী: এ ডিক্রীতে হিস্যানুযায়ী বণ্টন আদেশ দেয়া হয় ৷

চূড়ান্ত ডিক্রী: এ ডিক্রীতে প্রয়োজনে আমিন কমিশন পাঠিয়ে সরেজমিনে সম্পত্তির দখল দেয়া হয় এবং সীমানা পীলার দ্বারা বিভাজন (জমির ভাগ) চিহ্নিত করার মাধ্যমে চূড়ান্ত ডিক্রী প্রচার করা হয় ৷ আদালত প্রয়োজনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করে সম্পত্তির সীমানা চিহ্নিত করে ডিক্রী প্রাপককে সম্পত্তির দখল দেয়ার ব্যবস্থা করে থাকেন ৷

বণ্টন দলিল ও বাটোয়ারা মামলা বন্টন দলিল কি? ১৮৯৯ সালের স্ট্যাম্প এক্টের ২ (১৫) ধারায় বলা হয়েছে বণ্টন দলিল ও বণ্টক দলিল অর্থ একই ৷ যখন কোন সম্পত্তির সহ-শরিকগণ তাদের সম্পত্তি ব্যক্তিগত মালিকানায় পৃথকভাবে ভাগ করে নেয় বা নিতে সম্মত হয়ে কোন দলিল করে তাকেই বণ্টন দলিল বলে ৷ বণ্টন সম্পন্ন হওয়ার শর্ত: •সীমানা চিহ্নিতকরণ বা পরিমাপ দ্বারা সম্পত্তির প্রকৃত বিভাজন হতে হবে; •বন্টন তালিকায় প্রত্যেক সহ-মালিকের বরাদ্দকৃত সম্পত্তির উল্লেখ থাকতে হবে; •তালিকায় মালিকানার বিভাজন সকল সহ-মালিক কর্তৃক স্বীকৃত হতে হবে; •বন্টনের বিবরণ সুস্পষ্ট হতে হবে; •প্রত্যেকটি তালিকা সহ-মালিকবৃন্দ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে; •যথাযথভাবে স্ট্যাম্প শুল্ক দিয়ে দলিলটি রেজিস্ট্রি করতে হবে; •সহ-শরীকগণ আপোষ বন্টন করে পরবর্তীতে তাদের কেউ তা না মানলে দেওয়ানী আদালতের মাধ্যমে তা কার্যকর করা যায় ৷ বন্টননামা রেজিষ্ট্রির ফি:সকল সহ-শরিকের মধ্যে জমি হিস্যানুযায়ী (স্ট্যাম্প এর উপর) বন্টন করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দাখিল করে বন্টননামা দলিল রেজিষ্ট্রি করা যায় ৷ এ দলিল রেজিস্ট্রির জন্য স্ট্যাম্প খরচ লাগবে স্ট্যাম্প এর গায়ে জমির যে মূল্য রেখা হবে তার ২% হারে ৷ এছাড়া অন্যান্য ফিস কবলা দলিল রেজিস্ট্রিতে যেমন লাগে অনুরূপ লাগবে ৷ বাটোয়ারা মামলা করার জন্য যা প্রয়োজন: দেওয়ানী আদালতে বাটোয়ারা মামলা করেও নিজেদের সহায়-সম্পত্তি বন্টন করে নেয়া যায় ৷ এ জন্য যা প্রয়োজন হবে তা হলোঃ •আবেদনের গায়ে ১০০/- টাকার কোর্ট ফি ৷ •ছাহাম চাইলে প্রতি ছাহামের জন্য ১০০/- টাকা ফি ৷ •মালিকানার সূত্র এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ৷ •সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে হলে বংশানুক্রম ৷ বাটোয়ারা মামলায় সাধারণত প্রত্যেক দাগের জমি সকল সহ-শরীক এর মধ্যে বণ্টিত হয়ে থাকে ৷ এ মামলায় ২ বার ২টি ডিক্রী হয় ৷ প্রাথমিক ডিক্রী:এ ডিক্রীতে হিস্যানুযায়ী বন্টন আদেশ দেয়া হয় ৷ চূড়ান্ত ডিক্রী:এ ডিক্রীতে প্রয়োজনে আমিন কমিশন পাঠিয়ে সরে জমিনে সম্পত্তির দখল দেয়া হয় এবং সীমানা পীলার দ্বারা বিভাজন (জমির ভাগ) চিহ্নিত করার মাধ্যমে চূড়ান্ত ডিক্রী প্রচার করা হয় ৷ আদালত প্রয়োজনে আইন শৃংখলা বাহিনী নিয়োগ করে সম্পত্তির সীমানা চিহ্নিত করে ডিক্রী প্রাপককে সম্পত্তির দখল দেয়ার ব্যবস্থা করে থাকেন ৷

উত্তরাধিকারজমি বা ভূমিজমি সংক্রান্ত নিউজদলিল
আগের লেখাঅনলাইনে ভূমি কর প্রদান করবেন যেভাবেপরের লেখাপৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকে ভূমি মামলার শুনানিতে অংশ নেওয়া যাবে

মন্তব্য

সম্পর্কিত লেখা

  • উত্তরাধিকার হিসাব এর সকল বিধি

    উত্তরাধিকার হিসাব এর সকল বিধি

    ৯ মার্চ, ২০২৫
  • হিন্দু উত্তরাধিকার আইনের খসড়া প্রণয়ন

    হিন্দু উত্তরাধিকার আইনের খসড়া প্রণয়ন

    ৯ মার্চ, ২০২৫
  • উত্তরাধিকার সূত্রে

    উত্তরাধিকার সূত্রে

    ৯ মার্চ, ২০২৫